
শনিবার বেলা ১১টার দিকে হবিগঞ্জে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে আর কোনোভাবেই বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগামী দিনে মেধার ভিত্তিতেই প্রত্যেকে তার যোগ্য স্থান ও কাজ খুঁজে পাবে।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও বৈষম্য বিলোপ ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ একটি ফুলের বাগানের মতো যেখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে বসবাস করছে। ইসলাম ধর্মে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি পছন্দ করা হয় না। প্রতিটি ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের আচার-অনুষ্ঠান পালন করবে এবং কেউ এতে বাধা দিলে তা সহ্য করা হবে না। তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হলে স্থানীয় চ-বাগানকে আধুনিকায়ন করে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা হবে।
দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রাজনীতিকে পেশা নয় বরং কর্তব্য হিসেবে নিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একদল মানুষ ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা নেয়। দেশে এই চাঁদাবাজি চিরতরে বন্ধ করা হবে। সন্ত্রাস ও দুর্নীতির জন্য পূর্বের ক্ষমতাধরদের দায়ী করে তিনি বলেন, অসৎ রাজনীতির কারণেই দেশে বৈষম্য টিকে আছে।
জবাবদিহিতা ও জনসেবার নতুন নজির জামায়াত আমির এক অনন্য প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, নির্বাচিত হলে তাঁরা বছরে একবার জনগণের কাছে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব দেবেন। এছাড়া নারীদের অবমাননাকারীদের ১৮ কোটি মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এমপিদের সুযোগ-সুবিধা বর্জন দলের সংসদ সদস্যদের বিলাসিতা ত্যাগের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন:
জামায়াতের এমপিরা বিনা ট্যাক্সের (শুল্কমুক্ত) গাড়ি সুবিধা গ্রহণ করবেন না।
স্বল্পমূল্যে দেওয়া সরকারি ফ্ল্যাটও কেউ নেবেন না।
প্রয়োজনে রিকশায় চড়বেন, তবুও জনগণের অর্থের অপচয় করবেন না।
যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা বাজারমূল্যে গাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনবেন।
Reporter Name 
















