ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
শিরোনামঃ
নারীর ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’: বাঞ্ছারামপুরে উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি মামুনুল হকের স্ট্যাটাসে এমন এক ভয়াবহ তথ্য জানা গেল, যা শুনে সত্যিই গা শিউরে ওঠে তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী ভুল বুঝিয়ে মন্ত্রী পদমর্যাদায় আবেদন মাহমুদুলের, দুসপ্তাহ আগে সরিয়ে দেওয়া হয় জামায়াত আমিরের সেই উপদেষ্টাকে কয়েল ছাড়াই ৫ মিনিটে ঘরকে মশা মুক্ত রাখার কার্যকরী উপায় তেলের ডিপোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ বিপিসির ভারত থেকে দেশে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ট্রাম্প-পুতিনের ঘণ্টাব্যাপী ফোনালাপ, যুদ্ধ বন্ধের ইঙ্গিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সব রেকর্ড ভেঙ্গে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান!

এক মামলাতেই মিলবে জমির ভোগদখল, আর লাগবে না সাক্ষী হাজিরা বা সমনের ঝামেলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২১ Time View

বাংলাদেশের শতবর্ষের পুরনো জমি-সংক্রান্ত বিচার ব্যবস্থায় এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। দীর্ঘদিন ধরে জমি মালিকদের বেদখল বা জবরদখল নিয়ে যে সমস্যা চলছিল, তা দূর করতে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এখন দেশের আদালতগুলোতে জমি সংক্রান্ত মামলা দ্রুত, স্বচ্ছ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি হবে।

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • সাক্ষ্য গ্রহণে সহজ পদ্ধতি:
    সাক্ষীদের আর সরাসরি আদালতে হাজির হতে হবে না। তারা লিখিত অ্যাফিডেভিট জমা দিতে পারবেন। প্রয়োজন হলে আদালতের নির্দেশে সাক্ষীদের জেরা করা হবে।

  • সমন পাঠানো ডিজিটালি:
    এখন সমন মোবাইল এসএমএস, ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো যাবে। গ্রহণের নিশ্চয়তা থাকায় সময় ও ঝামেলা কমবে।

  • মামলার সময় হ্রাস:
    দুই থেকে চারবার সময় চাওয়া হলেও, এরপর দ্রুত শুনানি ও রায় দেওয়া হবে।

  • এক মামলাতেই জমির ভোগদখল নিশ্চিত:
    আলাদা ‘ডিক্রিজারি’ মামলা করার প্রয়োজন নেই। রায়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন ও পুলিশের মাধ্যমে জমি মালিকের হাতে ফেরানো হবে।

  • ভুয়া দলিলের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি:
    জাল দলিল বা প্রমাণ আদালতে জমা দিলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনজীবী এবং সাধারণ নাগরিকরা বলছেন, এই সংস্কার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে। এর ফলে জমি মালিকদের হয়রানি ও আর্থিক চাপ কমবে। আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জমি-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং একক রায়ের মাধ্যমে ভোগদখল নিশ্চিত হবে।

জমি মালিকদের অবশ্যই বৈধ দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং ভোগদখলের প্রমাণসহ মামলা করতে হবে। ফলে যারা বেদখল জমি নিয়ে দীর্ঘদিন সমস্যায় ছিলেন, তারা সহজেই ন্যায়বিচার পেয়ে জমির ভোগদখল ফিরে পাবেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

নারীর ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’: বাঞ্ছারামপুরে উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি

এক মামলাতেই মিলবে জমির ভোগদখল, আর লাগবে না সাক্ষী হাজিরা বা সমনের ঝামেলা

Update Time : ০৭:৫৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের শতবর্ষের পুরনো জমি-সংক্রান্ত বিচার ব্যবস্থায় এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। দীর্ঘদিন ধরে জমি মালিকদের বেদখল বা জবরদখল নিয়ে যে সমস্যা চলছিল, তা দূর করতে রাষ্ট্রপতির নির্দেশে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এখন দেশের আদালতগুলোতে জমি সংক্রান্ত মামলা দ্রুত, স্বচ্ছ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি হবে।

মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • সাক্ষ্য গ্রহণে সহজ পদ্ধতি:
    সাক্ষীদের আর সরাসরি আদালতে হাজির হতে হবে না। তারা লিখিত অ্যাফিডেভিট জমা দিতে পারবেন। প্রয়োজন হলে আদালতের নির্দেশে সাক্ষীদের জেরা করা হবে।

  • সমন পাঠানো ডিজিটালি:
    এখন সমন মোবাইল এসএমএস, ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো যাবে। গ্রহণের নিশ্চয়তা থাকায় সময় ও ঝামেলা কমবে।

  • মামলার সময় হ্রাস:
    দুই থেকে চারবার সময় চাওয়া হলেও, এরপর দ্রুত শুনানি ও রায় দেওয়া হবে।

  • এক মামলাতেই জমির ভোগদখল নিশ্চিত:
    আলাদা ‘ডিক্রিজারি’ মামলা করার প্রয়োজন নেই। রায়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসন ও পুলিশের মাধ্যমে জমি মালিকের হাতে ফেরানো হবে।

  • ভুয়া দলিলের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি:
    জাল দলিল বা প্রমাণ আদালতে জমা দিলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনজীবী এবং সাধারণ নাগরিকরা বলছেন, এই সংস্কার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করেছে। এর ফলে জমি মালিকদের হয়রানি ও আর্থিক চাপ কমবে। আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জমি-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং একক রায়ের মাধ্যমে ভোগদখল নিশ্চিত হবে।

জমি মালিকদের অবশ্যই বৈধ দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং ভোগদখলের প্রমাণসহ মামলা করতে হবে। ফলে যারা বেদখল জমি নিয়ে দীর্ঘদিন সমস্যায় ছিলেন, তারা সহজেই ন্যায়বিচার পেয়ে জমির ভোগদখল ফিরে পাবেন।