ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

সিলিন্ডার গ্যাস সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ Time View

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকার নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। কোথাও কোথাও আরও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, নির্ধারিত দামের কথা বললে অনেক দোকানদার সিলিন্ডার দিতে অস্বীকৃতি জানান। আবার অতিরিক্ত দামে কিনলেও খুচরা বিক্রেতারা কোনো রসিদ দিচ্ছেন না। রসিদ চাইলে বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার নেই।

তাদের ভাষ্য, অতিরিক্ত দাম নেওয়া অবৈধ হওয়ায় রসিদ দিলে প্রমাণ থেকে যাবে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার একেবারেই নেই। সরবরাহ সংকটের কথা বলে ক্রেতাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।  আজিমপুরের গৃহিণী রেহেনা আক্তার বলেন, সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই দামে কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার রসিদও দেয় না, অভিযোগ করব কীভাবে?
খুচরা বিক্রেতারা দাবি করছেন, পাইকারি পর্যায়েই তাদের বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকার অদূরে টঙ্গীর সিলিন্ডার ব্যবসায়ী মিঠু মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বলেন, সর্বশেষ গত সপ্তাহে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সিলিন্ডার বিক্রি করেছি (১২ কেজির)। এই সপ্তাহে পাচ্ছি না। দোকান একেবারেই খালি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

সিলিন্ডার গ্যাস সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে

Update Time : ০৬:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকার নির্ধারিত এক হাজার ৩০৬ টাকার ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। কোথাও কোথাও আরও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগও পাওয়া গেছে। অভিযোগ উঠেছে, নির্ধারিত দামের কথা বললে অনেক দোকানদার সিলিন্ডার দিতে অস্বীকৃতি জানান। আবার অতিরিক্ত দামে কিনলেও খুচরা বিক্রেতারা কোনো রসিদ দিচ্ছেন না। রসিদ চাইলে বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার নেই।

তাদের ভাষ্য, অতিরিক্ত দাম নেওয়া অবৈধ হওয়ায় রসিদ দিলে প্রমাণ থেকে যাবে।বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার একেবারেই নেই। সরবরাহ সংকটের কথা বলে ক্রেতাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।  আজিমপুরের গৃহিণী রেহেনা আক্তার বলেন, সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই দামে কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে। আবার রসিদও দেয় না, অভিযোগ করব কীভাবে?
খুচরা বিক্রেতারা দাবি করছেন, পাইকারি পর্যায়েই তাদের বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকার অদূরে টঙ্গীর সিলিন্ডার ব্যবসায়ী মিঠু মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বলেন, সর্বশেষ গত সপ্তাহে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সিলিন্ডার বিক্রি করেছি (১২ কেজির)। এই সপ্তাহে পাচ্ছি না। দোকান একেবারেই খালি।