ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

প্রবাসী আয়ের শীর্ষে সৌদি আরব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫ Time View

দেশে প্রবাসী আয়ের গতিপথ আবার আগের ধারায় ফিরেছে। যেসব দেশে বেশিসংখ্যক বাংলাদেশি আছেন, সেগুলো থেকে এখন বেশি করে রেমিটেন্স তথা প্রবাসী আয় আসছে। গতবছরের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস হয়ে উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি নেমে গেছে তালিকার পঞ্চম স্থানে। আর শীর্ষস্থানে আবারও ফিরে এসেছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের পেছনে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও মালয়েশিয়া। গত জুলাই-নভেম্বর পাঁচ মাসের প্রবাসী আয় পর্যালোচনায় এমন চিত্র দেখা গেছে। বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠানো হয়, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্য কোনো দেশ থেকে পাঠালেও উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নামই দেখানো হতো। তা সংশোধন করায় এখন দেশভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। একই সময়ে ইতালি থেকে ৮৩ কোটি, ওমান থেকে ৭৭ কোটি, কুয়েত থেকে ৬৪ কোটি, কাতার থেকে ৫৯ কোটি ও সিঙ্গাপুর থেকে ৫৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে। ইউএই, কুয়েত, ওমান, কাতার, বাহরাইন, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশেও প্রচুর বাংলাদেশি কর্মী গেছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে গেছেন শিক্ষার্থী ও দক্ষ পেশাজীবীরা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

প্রবাসী আয়ের শীর্ষে সৌদি আরব

Update Time : ০৩:৩০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশে প্রবাসী আয়ের গতিপথ আবার আগের ধারায় ফিরেছে। যেসব দেশে বেশিসংখ্যক বাংলাদেশি আছেন, সেগুলো থেকে এখন বেশি করে রেমিটেন্স তথা প্রবাসী আয় আসছে। গতবছরের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস হয়ে উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি নেমে গেছে তালিকার পঞ্চম স্থানে। আর শীর্ষস্থানে আবারও ফিরে এসেছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের পেছনে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও মালয়েশিয়া। গত জুলাই-নভেম্বর পাঁচ মাসের প্রবাসী আয় পর্যালোচনায় এমন চিত্র দেখা গেছে। বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠানো হয়, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্য কোনো দেশ থেকে পাঠালেও উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নামই দেখানো হতো। তা সংশোধন করায় এখন দেশভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। একই সময়ে ইতালি থেকে ৮৩ কোটি, ওমান থেকে ৭৭ কোটি, কুয়েত থেকে ৬৪ কোটি, কাতার থেকে ৫৯ কোটি ও সিঙ্গাপুর থেকে ৫৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে। ইউএই, কুয়েত, ওমান, কাতার, বাহরাইন, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশেও প্রচুর বাংলাদেশি কর্মী গেছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে গেছেন শিক্ষার্থী ও দক্ষ পেশাজীবীরা।