ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

দীঘির গায়ে জুস পড়া নিয়ে হুলস্থুল: চাকরি হারালেন কি সেই ওয়েটার?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৪ Time View

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি সম্প্রতি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ‘কাচ্চি ডাইন’-এর শাখা উদ্বোধন করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক পরিস্থিতির শিকার হন। সময়ের আলোচিত এ অভিনেত্রীকে নিয়ে সেই ঘটনার জের ধরে ওই রেস্তোরাঁর এক ওয়েটারের চাকরি হারানোর গুঞ্জন ওঠেছে।

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রার্থনা ফারদিন দীঘি যখন রেস্তোরাঁটিতে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন একজন ওয়েটার পানীয় পরিবেশন করতে আসেন। এ সময় তিনটি জুসের গ্লাসের মধ্যে একটি হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে দীঘির গায়ের ওপর পড়ে যায়। আকস্মিক এ ঘটনায় দীঘি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়লেও পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নেন তিনি।

এ সময় ওই ওয়েটারকে অত্যন্ত ভীত ও দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা এসে দীঘির পোশাক ও হাত পরিষ্কার করে দেন। এ ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের একটি বড় অংশ দাবি করে বলেছেন, দীঘির গায়ে জুস ফেলার দায়ে সেই ওয়েটারকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এক নেটিজেন জানিয়েছেন, একজন আমন্ত্রিত তারকার সঙ্গে এমন অপেশাদার আচরণ রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ সহজভাবে নেয়নি। মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়েই তাকে ছাঁটাই করেছে।

এ বিষয়ে একটি গণমাধ্যম বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁটিতে যোগাযোগ করা হলে সেখানকার দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা প্রসঙ্গটি এড়িয়ে ফোনটি কেটে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার আর কোনো সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নকথা বলছে ‘কাচ্চি ডাইন’-এর প্রধান কার্যালয়।

প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা সৈয়দ তানভীর নীল এ গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে বলেন, চাকরিচ্যুতির দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। সংশ্লিষ্ট কর্মী আমাদের সঙ্গেই আছেন এবং নিয়মিত কাজ করছেন। এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল, যা অনিচ্ছাকৃত।

তিনি বলেন, ভুলবশত হওয়া এমন ঘটনায় কারও চাকরি যেতে পারে না। অফিশিয়ালি কিছুটা জবাবদিহি করতে হলেও এর বেশি কিছু হয়নি। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য অভিনেত্রীর কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেছি।

এ বিষয়ে দীঘির অবস্থান জানতে তার ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে রেস্তোরাঁর সংশ্লিষ্ট শাখার কর্তৃপক্ষের নীরবতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দাবির জেরে এ গুঞ্জন নিয়ে খানিকটা ধোঁয়াশাই থেকে যায়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

দীঘির গায়ে জুস পড়া নিয়ে হুলস্থুল: চাকরি হারালেন কি সেই ওয়েটার?

Update Time : ০৮:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি সম্প্রতি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ‘কাচ্চি ডাইন’-এর শাখা উদ্বোধন করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক পরিস্থিতির শিকার হন। সময়ের আলোচিত এ অভিনেত্রীকে নিয়ে সেই ঘটনার জের ধরে ওই রেস্তোরাঁর এক ওয়েটারের চাকরি হারানোর গুঞ্জন ওঠেছে।

সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রার্থনা ফারদিন দীঘি যখন রেস্তোরাঁটিতে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন একজন ওয়েটার পানীয় পরিবেশন করতে আসেন। এ সময় তিনটি জুসের গ্লাসের মধ্যে একটি হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে দীঘির গায়ের ওপর পড়ে যায়। আকস্মিক এ ঘটনায় দীঘি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়লেও পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নেন তিনি।

এ সময় ওই ওয়েটারকে অত্যন্ত ভীত ও দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা এসে দীঘির পোশাক ও হাত পরিষ্কার করে দেন। এ ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের একটি বড় অংশ দাবি করে বলেছেন, দীঘির গায়ে জুস ফেলার দায়ে সেই ওয়েটারকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এক নেটিজেন জানিয়েছেন, একজন আমন্ত্রিত তারকার সঙ্গে এমন অপেশাদার আচরণ রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ সহজভাবে নেয়নি। মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়েই তাকে ছাঁটাই করেছে।

এ বিষয়ে একটি গণমাধ্যম বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁটিতে যোগাযোগ করা হলে সেখানকার দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা প্রসঙ্গটি এড়িয়ে ফোনটি কেটে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার আর কোনো সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্নকথা বলছে ‘কাচ্চি ডাইন’-এর প্রধান কার্যালয়।

প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা সৈয়দ তানভীর নীল এ গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে বলেন, চাকরিচ্যুতির দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। সংশ্লিষ্ট কর্মী আমাদের সঙ্গেই আছেন এবং নিয়মিত কাজ করছেন। এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল, যা অনিচ্ছাকৃত।

তিনি বলেন, ভুলবশত হওয়া এমন ঘটনায় কারও চাকরি যেতে পারে না। অফিশিয়ালি কিছুটা জবাবদিহি করতে হলেও এর বেশি কিছু হয়নি। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য অভিনেত্রীর কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেছি।

এ বিষয়ে দীঘির অবস্থান জানতে তার ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে রেস্তোরাঁর সংশ্লিষ্ট শাখার কর্তৃপক্ষের নীরবতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দাবির জেরে এ গুঞ্জন নিয়ে খানিকটা ধোঁয়াশাই থেকে যায়।