ঢাকা ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

চিয়া সিডস নিঃসন্দেহে উপকারী, তবু কাদের খাওয়া চলবে না এই সুপারফুড?

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১ Time View

চিয়া সিডস নিঃসন্দেহে উপকারী। প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর চিয়া। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে চিয়া সিডস। রোজ ১-২ চামচ চিয়া সিডস খেলে একাধিক রোগের ঝুঁকি এড়ানো যায়। এত উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও সবার স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী নয় চিয়া সিডস। চাইলেই যে কেউ খেতে পারেন না এই বীজ।

কারা চিয়া সিডস এড়িয়ে চলবেন?

নিম্ন রক্তচাপের রোগীরা
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য চিয়া সিডস ভীষণ উপযোগী। কিন্তু ব্লাড প্রেশার যদি সবসময়ে কম থাকে, তা হলে এই বীজ না খাওয়াই ভালো। চিয়া সিডসের মধ্যে উচ্চ মাত্রায় পটাশিয়াম ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই নিম্ন রক্তচাপে এই বীজ খেলে প্রেশার আরও কমে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেলে
অনেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান। সে ক্ষেত্রে আর চিয়া সিডস খাওয়ার দরকার নেই। চিয়া সিডস রক্তকে পাতলা করে এবং রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। অ্যাসপিরিন বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে চিয়া সিডস খেলে রক্ত ক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তখন ছোটখাটো কাটাছেঁড়াতেও রক্ত থামার নাম নেবে না।

কিডনির রোগীরা
চিয়া সিডের মধ্যে পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং অক্সালেটের মতো উপাদান রয়েছে। এগুলো কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। তার উপর যদি পর্যাপ্ত জল পান না করেন, তখন কিডনির সমস্যা আরও বাড়ে। তাই কিডনির রোগীদের চিয়া সিডস খাওয়ার আগে সতর্ক হওয়া জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

শরীর ডিহাইড্রেটেড হলে
চিয়া সিডস প্রচুর পরিমাণে জল শোষণ করে। আপনার শরীর যদি ডিহাইড্রেটেড থাকে, তারপরেও চিয়া সিডস খান, তখন সমস্যা বাড়বে। চিয়া সিডসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা গ্যাস, পেটফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই চিয়া সিডস খাওয়ার আগে ও পরে প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

চিয়া সিডস নিঃসন্দেহে উপকারী, তবু কাদের খাওয়া চলবে না এই সুপারফুড?

Update Time : ১১:৩০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

চিয়া সিডস নিঃসন্দেহে উপকারী। প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর চিয়া। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে চিয়া সিডস। রোজ ১-২ চামচ চিয়া সিডস খেলে একাধিক রোগের ঝুঁকি এড়ানো যায়। এত উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও সবার স্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী নয় চিয়া সিডস। চাইলেই যে কেউ খেতে পারেন না এই বীজ।

কারা চিয়া সিডস এড়িয়ে চলবেন?

নিম্ন রক্তচাপের রোগীরা
উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য চিয়া সিডস ভীষণ উপযোগী। কিন্তু ব্লাড প্রেশার যদি সবসময়ে কম থাকে, তা হলে এই বীজ না খাওয়াই ভালো। চিয়া সিডসের মধ্যে উচ্চ মাত্রায় পটাশিয়াম ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই নিম্ন রক্তচাপে এই বীজ খেলে প্রেশার আরও কমে গিয়ে বিপদ ঘটতে পারে।

রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেলে
অনেকেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান। সে ক্ষেত্রে আর চিয়া সিডস খাওয়ার দরকার নেই। চিয়া সিডস রক্তকে পাতলা করে এবং রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। অ্যাসপিরিন বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে চিয়া সিডস খেলে রক্ত ক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তখন ছোটখাটো কাটাছেঁড়াতেও রক্ত থামার নাম নেবে না।

কিডনির রোগীরা
চিয়া সিডের মধ্যে পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং অক্সালেটের মতো উপাদান রয়েছে। এগুলো কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। তার উপর যদি পর্যাপ্ত জল পান না করেন, তখন কিডনির সমস্যা আরও বাড়ে। তাই কিডনির রোগীদের চিয়া সিডস খাওয়ার আগে সতর্ক হওয়া জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

শরীর ডিহাইড্রেটেড হলে
চিয়া সিডস প্রচুর পরিমাণে জল শোষণ করে। আপনার শরীর যদি ডিহাইড্রেটেড থাকে, তারপরেও চিয়া সিডস খান, তখন সমস্যা বাড়বে। চিয়া সিডসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা গ্যাস, পেটফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে। তাই চিয়া সিডস খাওয়ার আগে ও পরে প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।