ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২২ Time View

কুয়াশার চাদরে ঢেকে পড়েছে প্রকৃতি, জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। বিকাল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত বইছে হিমেল হাওয়া। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রির ঘরে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কাল থেকে কিছুটা তাপমাত্রা বেড়ে আবার মাসের শেষের দিকে কমতে পারে। একইসাথে তখন শৈত্যপ্রবাহের আভাস আছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য যদি ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আসে, সেখানে শীতের অনুভূতি বাড়তে থাকে। কিন্তু পার্থক্য যদি পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে তবে শীতের অনুভূতি প্রকট থেকে প্রকটতর হয়। অর্থাৎ হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হয়। তখনই কেবল আমরা শৈত্যপ্রবাহ বলে থাকি।

তিনি বলেন, এ মাসের শেষের দিকে অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যে একটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। তখন শীতের দাপট আরও বাড়বে।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমারও আশঙ্কা রয়েছে। দিনের বেলায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এ পরিস্থিতির প্রভাবেই দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি বাড়ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

Update Time : ০৩:১৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

কুয়াশার চাদরে ঢেকে পড়েছে প্রকৃতি, জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। বিকাল থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত বইছে হিমেল হাওয়া। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রির ঘরে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কাল থেকে কিছুটা তাপমাত্রা বেড়ে আবার মাসের শেষের দিকে কমতে পারে। একইসাথে তখন শৈত্যপ্রবাহের আভাস আছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক বলেন, সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য যদি ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আসে, সেখানে শীতের অনুভূতি বাড়তে থাকে। কিন্তু পার্থক্য যদি পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে তবে শীতের অনুভূতি প্রকট থেকে প্রকটতর হয়। অর্থাৎ হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হয়। তখনই কেবল আমরা শৈত্যপ্রবাহ বলে থাকি।

তিনি বলেন, এ মাসের শেষের দিকে অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যে একটি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। তখন শীতের দাপট আরও বাড়বে।

এদিকে আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমারও আশঙ্কা রয়েছে। দিনের বেলায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এ পরিস্থিতির প্রভাবেই দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় কুয়াশা ও শীতের অনুভূতি বাড়ছে।