ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১ Time View

বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জাররা সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ফি নিতে পারবেন। এনডোর্সমেন্টের পরিমাণ বেশি হলেও ফি একই থাকবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জিএফইটি ২০১৮-অনুযায়ী মানি চেঞ্জাররা বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক ভ্রমণ ভাতার আওতায় বিদেশি নোট, কয়েন ও ট্রাভেলার্স চেক বিক্রি করতে পারবেন। যাত্রীর পাসপোর্ট ও বিমান টিকিটে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে এনডোর্সমেন্ট করতে হবে। মানি চেঞ্জাররা অবশ্যই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে এনডোর্সমেন্ট ফি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এ তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, গ্রাহকের কাছ থেকে ফি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। আদায় করা ফির সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে। আগে জারি করা অন্যান্য সার্কুলারের নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট ফি নিয়ে নতুন নির্দেশনা

Update Time : ০৩:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টে বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট করতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জাররা সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ফি নিতে পারবেন। এনডোর্সমেন্টের পরিমাণ বেশি হলেও ফি একই থাকবে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জিএফইটি ২০১৮-অনুযায়ী মানি চেঞ্জাররা বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক ভ্রমণ ভাতার আওতায় বিদেশি নোট, কয়েন ও ট্রাভেলার্স চেক বিক্রি করতে পারবেন। যাত্রীর পাসপোর্ট ও বিমান টিকিটে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে এনডোর্সমেন্ট করতে হবে। মানি চেঞ্জাররা অবশ্যই তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দৃশ্যমান স্থানে এনডোর্সমেন্ট ফি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এ তথ্য স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, গ্রাহকের কাছ থেকে ফি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। আদায় করা ফির সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে। আগে জারি করা অন্যান্য সার্কুলারের নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।