ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ধামরাইয়ে এনসিপির কার্যালয় ভাঙচুর অভিযোগ, তবে ভাঙচুর নয় বলে দাবি ভবন মালিক ও পুলিশের

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ Time View

ঢাকার ধামরাইয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি নির্বাচনি কার্যালয় লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তবে ভবন মালিক ও পুলিশ তা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, সেখানে কোনো লুটপাট বা ভাঙচুর হয়নি,অনুমতি ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনে রাখা চেয়ার, টেবিল ও ব্যানার ভবন মালিক সরিয়ে রেখেছেন মাত্র। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়। পরে পুলিশ ও ভবন মালিকের সঙ্গে কথা বলে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।

এনসিপির দাবি অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি কালামপুর বাজার এলাকায় একটি ভবনের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে ব্যানার টাঙানো হয় এবং ১৫-২০টি চেয়ার ও কয়েকটি টেবিল দিয়ে কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার এসে নেতাকর্মীরা দেখতে পান, কার্যালয়ের কোনো মালামাল নেই।

এনসিপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ অভিযোগ করেন, তাদের নির্বাচনি কার্যক্রম শুরুর আগেই একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। গতকাল রাত পর্যন্ত আমাদের অফিসে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। আজ এসে দেখি সব চেয়ার, টেবিল ও ব্যানার নেই, অফিস সম্পূর্ণ খালি।
তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন ভবন মালিক মোঃ শামসুর রহমান। তিনি বলেন,ভবনটি এখনো নির্মাণাধীন। এনসিপিকে কোনো অংশ ভাড়া দেওয়া হয়নি। আমার অনুমতি ছাড়াই এখানে ব্যানার লাগানো হয়েছিল। তাই সেগুলো খুলে রেখে দিয়েছি। চেয়ার-টেবিল এখনো আমার হেফাজতেই আছে। কোনো লুটপাট বা ভাঙচুর হয়নি। তিনি আরও জানান, ভবন ব্যবহারের বিষয়ে এনসিপির কেউ তার সঙ্গে আলোচনা বা অনুমতি নেননি।

এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ধামরাই থানা পুলিশ জানায়, সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আলামত পাওয়া যায়নি।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারি, ভবনের মালিক মালামাল পাশের একটি দোকানে সরিয়ে রেখেছেন।  বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এখন তিনি জানিয়েছেন, এনসিপিকে কার্যালয় করতে দেওয়ার বিষয়ে তার আপত্তি নেই। দোকান মালিক বুঝতে না পেরে সরিয়ে রাখেন। এখানে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

ধামরাইয়ে এনসিপির কার্যালয় ভাঙচুর অভিযোগ, তবে ভাঙচুর নয় বলে দাবি ভবন মালিক ও পুলিশের

Update Time : ০৯:৩০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি নির্বাচনি কার্যালয় লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তবে ভবন মালিক ও পুলিশ তা অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, সেখানে কোনো লুটপাট বা ভাঙচুর হয়নি,অনুমতি ছাড়া নির্মাণাধীন ভবনে রাখা চেয়ার, টেবিল ও ব্যানার ভবন মালিক সরিয়ে রেখেছেন মাত্র। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়। পরে পুলিশ ও ভবন মালিকের সঙ্গে কথা বলে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।

এনসিপির দাবি অনুযায়ী, গত ২১ জানুয়ারি কালামপুর বাজার এলাকায় একটি ভবনের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে ব্যানার টাঙানো হয় এবং ১৫-২০টি চেয়ার ও কয়েকটি টেবিল দিয়ে কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার এসে নেতাকর্মীরা দেখতে পান, কার্যালয়ের কোনো মালামাল নেই।

এনসিপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ অভিযোগ করেন, তাদের নির্বাচনি কার্যক্রম শুরুর আগেই একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। গতকাল রাত পর্যন্ত আমাদের অফিসে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। আজ এসে দেখি সব চেয়ার, টেবিল ও ব্যানার নেই, অফিস সম্পূর্ণ খালি।
তবে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন ভবন মালিক মোঃ শামসুর রহমান। তিনি বলেন,ভবনটি এখনো নির্মাণাধীন। এনসিপিকে কোনো অংশ ভাড়া দেওয়া হয়নি। আমার অনুমতি ছাড়াই এখানে ব্যানার লাগানো হয়েছিল। তাই সেগুলো খুলে রেখে দিয়েছি। চেয়ার-টেবিল এখনো আমার হেফাজতেই আছে। কোনো লুটপাট বা ভাঙচুর হয়নি। তিনি আরও জানান, ভবন ব্যবহারের বিষয়ে এনসিপির কেউ তার সঙ্গে আলোচনা বা অনুমতি নেননি।

এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ধামরাই থানা পুলিশ জানায়, সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার আলামত পাওয়া যায়নি।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে জানতে পারি, ভবনের মালিক মালামাল পাশের একটি দোকানে সরিয়ে রেখেছেন।  বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এখন তিনি জানিয়েছেন, এনসিপিকে কার্যালয় করতে দেওয়ার বিষয়ে তার আপত্তি নেই। দোকান মালিক বুঝতে না পেরে সরিয়ে রাখেন। এখানে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি।