ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

সংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ প্রস্তাব তুলবো: তাসনিম জারা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ Time View

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে গেলে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব তুলবেন বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সাবেক নেত্রী ও ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করেন তিনি।

তাসনিম জারা বলেন, আমার নির্বাচনী আসন যদিও শহরের প্রাণ কেন্দ্র তারপরও মানুষ যখন চুলা জ্বালায় রান্না করার জন্য গ্যাস বের হয় না। তবে, মাসে মাসে বিলটা ঠিকই দিতে হয়। সংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব তুলবো।

এছাড়াও সরকার যদি পাইপলাইনে গ্যাস দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে এলাকায় যাতে ভর্তুকি বা ন্যায্য দামে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়, সেই প্রস্তাবনাও রাখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

ঢাকা-৯ আসনের এই প্রার্থী বলেন, আমার আসনে প্রায় ছয়-সাত লাখেরও বেশি মানুষ থাকে। তবে, এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য মাত্র একটি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। আর এই মুগদা হাসপাতালে জনবলের সংকট আছে, যন্ত্রপাতি সংকট আছে, রোগীরা ভোগান্তির শিকার হয়, অব্যবস্থাপনা আছে। এই মেডিকেলে যাতে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকে, পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ হয় সেজন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমি যোগাযোগ রাখবো। আমাদের যে পাড়ার ক্লিনিকগুলো আছে, সেগুলো যাতে আধুনিকায়ন করতে পারি সেটার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেব, যাতে এই ক্লিনিকগুলো মিনি হাসপাতালের মত হয়ে যায়। এছাড়াও ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সারা বছর কাজ করবে এমন স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড গঠন করব। নারী স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে হাসপাতাল ও সরকারি স্থাপনায় গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা, ব্রেস্টফিডিং স্পেস এবং নারীবান্ধব টয়লেট নিশ্চিত করা হবে।

স্কুলে ভর্তিতে এমপির (সংসদ সদস্য) কোনো কোটা বা সুপারিশ থাকবে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে একমাত্র মানদণ্ড। এছাড়া, স্কুলে আধুনিক বিজ্ঞান ল্যাব, কোডিং ক্লাব ও লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তাসনিম জারা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন কেবল প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যম নয়, বরং এর মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের ন্যায্য অধিকার ভোগ করতে পারবেন। নাগরিকরা সেবা গ্রহণের জন্য প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরবে না, বরং এগুলোই তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

সংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ প্রস্তাব তুলবো: তাসনিম জারা

Update Time : ০৯:০০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে গেলে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব তুলবেন বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সাবেক নেত্রী ও ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনই মন্তব্য করেন তিনি।

তাসনিম জারা বলেন, আমার নির্বাচনী আসন যদিও শহরের প্রাণ কেন্দ্র তারপরও মানুষ যখন চুলা জ্বালায় রান্না করার জন্য গ্যাস বের হয় না। তবে, মাসে মাসে বিলটা ঠিকই দিতে হয়। সংসদে গিয়ে ‘নো সার্ভিস, নো বিল’ নীতির পক্ষে আইন প্রস্তাব তুলবো।

এছাড়াও সরকার যদি পাইপলাইনে গ্যাস দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে এলাকায় যাতে ভর্তুকি বা ন্যায্য দামে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়, সেই প্রস্তাবনাও রাখবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

ঢাকা-৯ আসনের এই প্রার্থী বলেন, আমার আসনে প্রায় ছয়-সাত লাখেরও বেশি মানুষ থাকে। তবে, এই বিপুল জনসংখ্যার জন্য মাত্র একটি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে। আর এই মুগদা হাসপাতালে জনবলের সংকট আছে, যন্ত্রপাতি সংকট আছে, রোগীরা ভোগান্তির শিকার হয়, অব্যবস্থাপনা আছে। এই মেডিকেলে যাতে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকে, পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ হয় সেজন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমি যোগাযোগ রাখবো। আমাদের যে পাড়ার ক্লিনিকগুলো আছে, সেগুলো যাতে আধুনিকায়ন করতে পারি সেটার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেব, যাতে এই ক্লিনিকগুলো মিনি হাসপাতালের মত হয়ে যায়। এছাড়াও ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সারা বছর কাজ করবে এমন স্থায়ী মশা নিধন স্কোয়াড গঠন করব। নারী স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে হাসপাতাল ও সরকারি স্থাপনায় গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা, ব্রেস্টফিডিং স্পেস এবং নারীবান্ধব টয়লেট নিশ্চিত করা হবে।

স্কুলে ভর্তিতে এমপির (সংসদ সদস্য) কোনো কোটা বা সুপারিশ থাকবে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে একমাত্র মানদণ্ড। এছাড়া, স্কুলে আধুনিক বিজ্ঞান ল্যাব, কোডিং ক্লাব ও লাইব্রেরি গড়ে তোলা হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তাসনিম জারা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন কেবল প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যম নয়, বরং এর মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের ন্যায্য অধিকার ভোগ করতে পারবেন। নাগরিকরা সেবা গ্রহণের জন্য প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরবে না, বরং এগুলোই তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।