ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনামঃ
আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন কোন আকৃতির ইলিশ বেশি স্বাদের হয় হরমুজে ইরান, বাব আল-মান্দেবে হুতি যুদ্ধের জের দুই প্রণালিতে, উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্বে ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতলেন জেরেভ আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ৪ স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগ ঢাকা উত্তরে এনসিপির প্রার্থী আসিফ, দক্ষিণে পাটওয়ারী জামায়াত জোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ ১৯ সেপ্টেম্বর, পথে পাঁচ সভা মানিক মিয়ায় লাখ মানুষ সমাবেশের প্রস্তুতি সাতকানিয়ায় বাসের ধাক্কায় আহত স্কুলছাত্রীর আইসিইউতে মৃত্যু হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু প্রশাসন কোনোভাবেই শাসকের ভূমিকায় থাকবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন, নিহত ৫

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ Time View

ফিলিপাইনের পালাওয়ান উপকূলের কাছে যাত্রীবাহী একটি ফেরিতে আগুন লেগে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো ৮৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও সাগরের তীব্র স্রোতের কারণে অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফিলিপাইনের সংবাদমাধ্যমগুলো কোস্টগার্ডের বরাতে জানিয়েছে, আগুন লাগা ফেরিটির নাম ‘এমভি জুন অ্যাস্টার’। দুর্ঘটনার সময় এতে ১৩৪ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১১৭ জন যাত্রী এবং ১৭ জন ক্রু সদস্য।

ফেরিটি রাজধানী ম্যানিলার একটি বন্দর থেকে পালাওয়ানের করোন দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই এতে আগুন ধরে যায়। আগুন লাগার সময় ফেরিটি বারাঙ্গাই মারসিলার প্রায় ১ দশমিক ২ নটিক্যাল মাইল বা ২ দশমিক ২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ছিল।

নিহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। আগুন লাগার কারণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পালাওয়ানের করোন ফিলিপাইনের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা। স্বচ্ছ সমুদ্রের পানি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে জায়গাটি বেশ পরিচিত। স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্যও করোনের বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলের উপকূলে বেশ কয়েকটি জাপানি জাহাজ ডুবে যায়। সেসব জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে প্রতিবছর বহু ডুবুরি সেখানে যান।

বহু দ্বীপ নিয়ে গঠিত ফিলিপাইনে যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম নৌপথ। দেশটির দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগে নিয়মিত ফেরি চলাচল করে। তবে বিভিন্ন সময়ে এসব ফেরিতে অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

২০২৩ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপাইনে ‘এমভি লেডি মেরি জয় ৩’ নামে একটি যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন লেগে ৩১ জন নিহত হন। জাম্বোয়াঙ্গা সিটি থেকে বাসিলান দ্বীপের উদ্দেশে যাওয়ার সময় ফেরিটিতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন

ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন, নিহত ৫

Update Time : ১০:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিলিপাইনের পালাওয়ান উপকূলের কাছে যাত্রীবাহী একটি ফেরিতে আগুন লেগে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো ৮৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। বুধবার দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও সাগরের তীব্র স্রোতের কারণে অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ফিলিপাইনের কোস্টগার্ডের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ৪২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ফিলিপাইনের সংবাদমাধ্যমগুলো কোস্টগার্ডের বরাতে জানিয়েছে, আগুন লাগা ফেরিটির নাম ‘এমভি জুন অ্যাস্টার’। দুর্ঘটনার সময় এতে ১৩৪ জন আরোহী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১১৭ জন যাত্রী এবং ১৭ জন ক্রু সদস্য।

ফেরিটি রাজধানী ম্যানিলার একটি বন্দর থেকে পালাওয়ানের করোন দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই এতে আগুন ধরে যায়। আগুন লাগার সময় ফেরিটি বারাঙ্গাই মারসিলার প্রায় ১ দশমিক ২ নটিক্যাল মাইল বা ২ দশমিক ২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ছিল।

নিহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। আগুন লাগার কারণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

পালাওয়ানের করোন ফিলিপাইনের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা। স্বচ্ছ সমুদ্রের পানি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে জায়গাটি বেশ পরিচিত। স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্যও করোনের বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলের উপকূলে বেশ কয়েকটি জাপানি জাহাজ ডুবে যায়। সেসব জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে প্রতিবছর বহু ডুবুরি সেখানে যান।

বহু দ্বীপ নিয়ে গঠিত ফিলিপাইনে যাতায়াতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম নৌপথ। দেশটির দ্বীপগুলোর মধ্যে যোগাযোগে নিয়মিত ফেরি চলাচল করে। তবে বিভিন্ন সময়ে এসব ফেরিতে অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

২০২৩ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম ফিলিপাইনে ‘এমভি লেডি মেরি জয় ৩’ নামে একটি যাত্রীবাহী ফেরিতে আগুন লেগে ৩১ জন নিহত হন। জাম্বোয়াঙ্গা সিটি থেকে বাসিলান দ্বীপের উদ্দেশে যাওয়ার সময় ফেরিটিতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।