ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনামঃ
আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন কোন আকৃতির ইলিশ বেশি স্বাদের হয় হরমুজে ইরান, বাব আল-মান্দেবে হুতি যুদ্ধের জের দুই প্রণালিতে, উদ্বেগ বাড়ছে বিশ্বে ইউএস ওপেনের শিরোপা জিতলেন জেরেভ আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ৪ স্বতন্ত্র পরিচালকের পদত্যাগ ঢাকা উত্তরে এনসিপির প্রার্থী আসিফ, দক্ষিণে পাটওয়ারী জামায়াত জোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ ১৯ সেপ্টেম্বর, পথে পাঁচ সভা মানিক মিয়ায় লাখ মানুষ সমাবেশের প্রস্তুতি সাতকানিয়ায় বাসের ধাক্কায় আহত স্কুলছাত্রীর আইসিইউতে মৃত্যু হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু প্রশাসন কোনোভাবেই শাসকের ভূমিকায় থাকবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ব্রিকস সম্মেলন গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় একমত বিশ্বনেতারা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ Time View

বিশ্বের বড় কয়েকটি দেশের নেতারা ভারতে একসঙ্গে বসে বিশ্বকে শান্ত করার একটি বড় বার্তা দিলেন। দিল্লিতে বসেছে ‘ব্রিকসের’ দুদিনের বড় বৈঠক। বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা যোগ দিয়েছেন।

বৈঠকের প্রথম দিনেই সব দেশ মিলে একটি যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ব্রিকস নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, গাজা থেকে জোর করে ফিলিস্তিনিদের তাড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত তারা কখনোই মেনে নেবেন না। এ নিয়ে যে কোনো চক্রান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ব্রিকস নেতারা। সেখানে ইসরায়েল যে হামলা চালাচ্ছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। এমনকি যুদ্ধের মাঝেও বেসামরিক মানুষ ও পারমাণবিক কেন্দ্রে যাতে হামলা না হয়, সে বিষয়ে তারা সতর্ক করেছেন।

এ ছাড়া গাজায় অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং কোনো শর্ত ছাড়াই দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য দুই রাষ্ট্র নীতির প্রতি পুনরায় সমর্থন ব্যক্ত করা হয়েছে এ সম্মেলনে।

যুদ্ধের কারণে বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্য, খাবার ও জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। তাই বাণিজ্য সচল রাখা এবং অযৌক্তিক শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা আটকে দেওয়া নিয়ে নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সরাসরি বলেছেন, এই যুদ্ধ কারও জন্য কোনো ভালো ফল আনছে না, বরং পুরো পৃথিবীর ক্ষতি করছে।

২০০৯ সালে ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু করা এই জোটটিতে এখন অনেক নতুন দেশ যুক্ত হয়েছে। বিশ্ব রাজনীতির নানা টানাপোড়েন আর যুদ্ধের উদ্বেগের মাঝেও, ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখা ও বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনতে তাদের এই ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খবর আলজাজিরার।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন

ব্রিকস সম্মেলন গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় একমত বিশ্বনেতারা

Update Time : ০৯:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্বের বড় কয়েকটি দেশের নেতারা ভারতে একসঙ্গে বসে বিশ্বকে শান্ত করার একটি বড় বার্তা দিলেন। দিল্লিতে বসেছে ‘ব্রিকসের’ দুদিনের বড় বৈঠক। বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা যোগ দিয়েছেন।

বৈঠকের প্রথম দিনেই সব দেশ মিলে একটি যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ব্রিকস নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, গাজা থেকে জোর করে ফিলিস্তিনিদের তাড়িয়ে দেওয়ার চক্রান্ত তারা কখনোই মেনে নেবেন না। এ নিয়ে যে কোনো চক্রান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ব্রিকস নেতারা। সেখানে ইসরায়েল যে হামলা চালাচ্ছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। এমনকি যুদ্ধের মাঝেও বেসামরিক মানুষ ও পারমাণবিক কেন্দ্রে যাতে হামলা না হয়, সে বিষয়ে তারা সতর্ক করেছেন।

এ ছাড়া গাজায় অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং কোনো শর্ত ছাড়াই দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য দুই রাষ্ট্র নীতির প্রতি পুনরায় সমর্থন ব্যক্ত করা হয়েছে এ সম্মেলনে।

যুদ্ধের কারণে বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্য, খাবার ও জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। তাই বাণিজ্য সচল রাখা এবং অযৌক্তিক শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা আটকে দেওয়া নিয়ে নেতারা ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সরাসরি বলেছেন, এই যুদ্ধ কারও জন্য কোনো ভালো ফল আনছে না, বরং পুরো পৃথিবীর ক্ষতি করছে।

২০০৯ সালে ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু করা এই জোটটিতে এখন অনেক নতুন দেশ যুক্ত হয়েছে। বিশ্ব রাজনীতির নানা টানাপোড়েন আর যুদ্ধের উদ্বেগের মাঝেও, ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখা ও বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনতে তাদের এই ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খবর আলজাজিরার।