ঢাকা ০১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনামঃ
ভারত থেকে আমদানি করা ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত উপাদান লন্ডনে সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ভাইয়ের ফ্ল্যাট জব্দ ভিসা জালিয়াতির অভিযোগ কানাডায় পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা প্যারিসের উপকণ্ঠে গুলির ঘটনাকে ‘বর্ণবাদী সন্ত্রাসী’ হামলা বললেন মাখোঁ সংসারে সৃজনশীল বাজেট তৈরির কিছু কৌশল ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার সংসদ নির্বাচনে ভোট রক্ষায় দুর্বলতা ছিল, স্থানীয় নির্বাচনে ভুল হবে না: জামায়াত আমির উপনির্বাচনে কারচুপির শঙ্কা সরকারকে হুঁশিয়ারি ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ মা-বাবার পর মেয়ের মৃত্যু, শেষ পুরো পরিবার পাহাড় কেটে রিসোর্ট, পার্ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি-বেসরকারি সবার নজর লালমাই পাহাড়ে হুমকিতে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

ভিসা জালিয়াতির অভিযোগ কানাডায় পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২ Time View

কানাডায় ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কানাডা সীমান্ত সেবা সংস্থার (সিবিএসএ) তদন্তে ২০৯ বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য জমা দেওয়া ২৪৩টি অস্থায়ী ভিসার আবেদনে জাল নথি ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের চারজন কুইবেকের ভ্যালিফিল্ড আদালতে হাজির হন। তারা হলেন– রাসেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম। অন্য অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হাসান বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কুইবেকের মার্সিয়ার এলাকার একটি বাসায় তদারকিমূলক অভিযান চালানো হয়। এ সময় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সম্ভাব্য কিছু তথ্য পাওয়া

যায়। ওই বছরের আগস্টে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়। ২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওর চারটি স্থানে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। সেখান থেকে পাওয়া কাগজপত্র, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পরীক্ষা করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে ২৪৩টি আবেদনের মধ্যে ৭৯টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।

পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো– পরিকল্পনা করে অন্যদের কানাডায় প্রবেশে সহায়তা করা। ভিসার আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করতে সহায়তা করা। অন্যদের কানাডার অভিবাসন আইন ভাঙতে সহায়তা করা। তবে এসব অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে।

অভিবাসন-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কানাডার ভিসার আবেদনে জাল নথি বা মিথ্যা তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। এ ধরনের প্রতারণার কারণে অন্তত পাঁচ বছরের জন্য কানাডায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এ ছাড়া আরও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ভিসার আবেদন করার সময় সব তথ্য ও কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করা জরুরি। কোনো প্রতিনিধি বা পরামর্শদাতার মাধ্যমে আবেদন করলেও জমা দেওয়া তথ্য সম্পর্কে আবেদনকারীর সচেতন থাকা উচিত। ভিসা নিশ্চিত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন-সংশ্লিষ্টরা।

২০৯ বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জমা দেওয়া ২৪৩টি ভিসার আবেদন তদন্তের আওতায় এলেও এর অর্থ এই নয়, সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক আবেদনকারী জালিয়াতিতে জড়িত। একইভাবে, পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের দোষী বলা যায় না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Author Information

আলোচিত

ভারত থেকে আমদানি করা ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত উপাদান

ভিসা জালিয়াতির অভিযোগ কানাডায় পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা

Update Time : ১০:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

কানাডায় ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কানাডা সীমান্ত সেবা সংস্থার (সিবিএসএ) তদন্তে ২০৯ বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য জমা দেওয়া ২৪৩টি অস্থায়ী ভিসার আবেদনে জাল নথি ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের চারজন কুইবেকের ভ্যালিফিল্ড আদালতে হাজির হন। তারা হলেন– রাসেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম। অন্য অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হাসান বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কুইবেকের মার্সিয়ার এলাকার একটি বাসায় তদারকিমূলক অভিযান চালানো হয়। এ সময় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের সম্ভাব্য কিছু তথ্য পাওয়া

যায়। ওই বছরের আগস্টে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়। ২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওর চারটি স্থানে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। সেখান থেকে পাওয়া কাগজপত্র, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পরীক্ষা করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে ২৪৩টি আবেদনের মধ্যে ৭৯টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করা হয়।

পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো– পরিকল্পনা করে অন্যদের কানাডায় প্রবেশে সহায়তা করা। ভিসার আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করতে সহায়তা করা। অন্যদের কানাডার অভিবাসন আইন ভাঙতে সহায়তা করা। তবে এসব অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে।

অভিবাসন-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কানাডার ভিসার আবেদনে জাল নথি বা মিথ্যা তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। এ ধরনের প্রতারণার কারণে অন্তত পাঁচ বছরের জন্য কানাডায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এ ছাড়া আরও আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ভিসার আবেদন করার সময় সব তথ্য ও কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই করা জরুরি। কোনো প্রতিনিধি বা পরামর্শদাতার মাধ্যমে আবেদন করলেও জমা দেওয়া তথ্য সম্পর্কে আবেদনকারীর সচেতন থাকা উচিত। ভিসা নিশ্চিত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন-সংশ্লিষ্টরা।

২০৯ বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জমা দেওয়া ২৪৩টি ভিসার আবেদন তদন্তের আওতায় এলেও এর অর্থ এই নয়, সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক আবেদনকারী জালিয়াতিতে জড়িত। একইভাবে, পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলেও আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের দোষী বলা যায় না।